খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইতালির গ্রন্থাগারে নবম শতাব্দীর পাণ্ডুলিপিতে মিলল ইংরেজি ভাষার আদি কবিতার মূল পাঠ

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইতালির গ্রন্থাগারে নবম শতাব্দীর পাণ্ডুলিপিতে মিলল ইংরেজি ভাষার আদি কবিতার মূল পাঠ

আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের একদল গবেষক ইতালির রোমের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে নবম শতাব্দীর একটি বইয়ের ডিজিটাল কপি ঘাঁটছিলেন

হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ কীভাবে ইংরেজিতে কথা বলত, তা জানতে আগ্রহী? আধুনিক ইংরেজির সঙ্গে প্রাচীন ইংরেজির বিস্তর ফারাক ছিল। সম্প্রতি গবেষকদের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার তাঁদের বিস্মিত করেছে। ইতালির একটি প্রাচীন গ্রন্থাগারের বইয়ের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ইংরেজি ভাষার প্রাচীনতম কবিতাটি এখন মূল রূপে উন্মোচিত হয়েছে।

আজ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বছর আগে ইংল্যান্ডের হুইটবি অঞ্চলের এক সাধারণ রাখাল, ক্যাডমন, এই কবিতার রচয়িতা। তিনি কোনো প্রথাগত কবি বা লেখক ছিলেন না; তাঁর দিন কাটত খামারের কাজে। কিন্তু একদিন এক রাতে তিনি এক স্বপ্ন দেখেন, যা থেকে জেগে উঠে তিনি অদ্ভুত এক অনুপ্রেরণা লাভ করেন এবং আপন মনে একটি কবিতা রচনা করেন। মাত্র ৯ লাইনের এই কবিতাটিই আজ 'ক্যাডমন্স হিমন' বা 'ক্যাডমনের স্তবগান' নামে পরিচিত এবং এটি ইংরেজি ভাষার প্রাচীনতম কবিতা হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যের সূচনা বলে বিবেচিত হয়।

ক্যাডমন নিজে অবশ্য তাঁর কবিতাটি লিখে যাননি। তাহলে এটি কীভাবে এতকাল টিকে ছিল? ইংল্যান্ডের সন্ন্যাসী ও পণ্ডিত ভেনেরাবল বিড তাঁর বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ ‘একলেসিয়াস্টিক্যাল হিস্ট্রি অব দ্য ইংলিশ পিপল’-এ ক্যাডমনের এই কবিতার উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিডের বইয়ের বিভিন্ন সংস্করণে কবিতাটি মূলত লাতিন ভাষায় লিপিবদ্ধ ছিল, এবং প্রাচীন ইংরেজি অনুবাদটি হয়তো পরে কেউ পৃষ্ঠার এক কোণে যোগ করে দিয়েছিলেন বলে মনে করা হতো।

তবে সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের গবেষকদের একটি দল ইতালির রোমের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত নবম শতাব্দীর একটি বইয়ের ডিজিটাল কপি পরীক্ষা করার সময় এক অভাবনীয় আবিষ্কার করেন। তাঁরা দেখতে পান যে, বইটির মূল লেখার অংশ হিসেবেই প্রাচীন ইংরেজিতে ক্যাডমনের সেই কবিতাটি লেখা রয়েছে! এটি কোনো পরবর্তী সংযোজন নয়, বরং মূল পাণ্ডুলিপিরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। গবেষক এলিসাবেত্তা মানিয়ান্তি এই আবিষ্কার প্রসঙ্গে বলেন, "আমরা রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের কথা বলার ভাষা হারিয়ে গিয়েছিল! প্রথমবার দেখে আমরা নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।" এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের খবর ‘আর্লি মেডিওভ্যাল ইংল্যান্ড অ্যান্ড ইটস নেইবারস’ নামক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এই আবিষ্কারের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাচীন ইংরেজি ছিল আধুনিক ইংরেজির আদি রূপ, যা মধ্যযুগের শুরুর দিকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। গবেষক মার্ক ফকনার ব্যাখ্যা করেন, "প্রাচীন ইংরেজিতে লেখা অন্যান্য যে সকল রচনা আমরা আজ পর্যন্ত পেয়েছি, সেগুলোর প্রায় সবই দশম বা একাদশ শতাব্দীর। কিন্তু নবম শতাব্দীর এই বইতে পাওয়া ক্যাডমনের কবিতাটি আমাদের প্রাচীন ইংরেজি ভাষা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। পণ্ডিত বিড তাঁর মূল বইয়ে কবিতাটি লাতিন ভাষায় লিখেছিলেন। কিন্তু এই নতুন পাণ্ডুলিপি থেকে বোঝা যায়, বিড তাঁর বই শেষ করার ১০০ বছরের মধ্যেই মূল প্রাচীন ইংরেজি কবিতাটি আবার লাতিন লেখার ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর অর্থ হলো, সে যুগের পাঠকরাও ইংরেজি ভাষাকে অবহেলা করতেন না।"

কবিতাটি মূলত সৃষ্টিকর্তার মহিমা বর্ণনা করে লেখা, যিনি মানবজাতির জন্য এই চমৎকার পৃথিবী তৈরি করেছেন। কবিতাটির আধুনিক ইংরেজি রূপ নিচে দেওয়া হলো:
‘Now let us praise heaven-kingdoms guardian,
The maker's might and his mind's thoughts,
The work of the glory-father—of every wonder,
Eternal Lord. He established a beginning.
He first shaped for men's sons
Heaven as a roof, the holy creator
Then middle-earth mankind's guardian,
Eternal Lord, afterwards prepared
The earth for men, the Lord Almighty.’

বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায়:
‘চলো, এখন আমরা স্বর্গরাজ্যের রক্ষাকর্তার প্রশংসা করি,
সেই স্রষ্টার শক্তি এবং তাঁর মনের ভাবনার,
মহিমান্বিত পিতার কাজ—সকল বিস্ময়ের,
অনন্ত ঈশ্বর। তিনিই একটি সূচনা করেছিলেন।
তিনি প্রথমে মানবসন্তানদের জন্য আকার দিলেন
ছাদ হিসেবে এই স্বর্গের, সেই পবিত্র স্রষ্টা
তারপর এই মধ্যপৃথিবীর, মানবজাতির রক্ষাকর্তা,
অনন্ত ঈশ্বর, এরপর প্রস্তুত করলেন
মানুষের জন্য এই পৃথিবী, সেই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর।’

এই তথ্য সায়েন্টিফিক আমেরিকান সূত্র থেকে প্রাপ্ত।

advertisement
advertisement

রংপুর বিভাগে অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, সংবিধানে সবার সমান অধিকারের কথা বলা হলেও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বাস্তবে সেই অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, বৈষম্য কমাতে শিক্ষা ও দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বহুমুখী কর্মসংস্থানের দিকে নজর দিতে হবে। সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীকে অবহিত করতে হবে। তবে সব সমস্যার সমাধান একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রংপুর নগরীর লালকুঠি রোডের একটি হোটেলের সভাকক্ষে হেকস/ইপারের আয়োজনে অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের রংপুর বিভাগের পরিচালক মো. আবু জাফর বলেন, সংবিধানে বৈষম্যের কোনো বিধান নেই। অথচ নারী ও পুরুষ শ্রমিকের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। এ ধরনের বৈষম্য দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। দিনাজপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষের সভাপতিত্বে সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন রংপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পার্থ বোস এবং হেকস/ইপার কান্ট্রি অফিসের পার্টনারশিপ ম্যানেজার ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার লাভলীহুড ভুপেশ রায়। ধারণাপত্র পাঠ করেন লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা প্ল্যাটফর্মের আব্দুল বাতেন। সম্মেলন সঞ্চালনা করেন হেকস-ইপারের টেকনিক্যাল কর্মকর্তা পাপন কুমার সরকার। সম্মেলনে রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম এই ছয় জেলার ১৬টি উপজেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অংশ নেন। দিনব্যাপী সম্মেলনে প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম, অর্জন, অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ পর্যালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম, অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। মুক্ত আলোচনায় সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অর্জন নিয়ে বক্তব্য দেন রংপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা মঞ্জুশ্রী সাহা, দিনাজপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সফিকুল হক ছুটু, রংপুর অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের মনিলাল দাস, ঠাকুরগাঁওয়ের অ্যাডভোকেট ইমরান, কুড়িগ্রামের সরবী বালা, লালমনিরহাটের সুপেন দত্ত, নীলফামারীর ছবি দাস, আব্দুল জব্বার, শীষ রহমান, দিনাজপুরের এডওয়ার্ড হেমরম, রংলাল বাসফোর, আলবিনুস টুডু, অমর চাঁদ গুপ্ত অপু, শিউলী বাড়া, অজয় বাসফোর, রংপুরের শ্যামল টুডু, প্রদীপ গোস্বামী, উৎপল মিনঝি, কাতরীনা রিনি মিনঝি, সুশান্ত ভৌমিক, ঠাকুরগাঁওয়ের ফ্রান্সিস বাস্কে, সৈয়দপুরের রেজাউল হকসহ অন্যরা। সম্মেলনে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, আদিবাসী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে প্ল্যাটফর্মগুলোর ২০২৬ সালের গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং জেলা ও উপজেলাভিত্তিক নতুন কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। সম্মেলনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্ল্যাটফর্মের সাধারণ সম্পাদক রাজু বাসফোরের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন অংশগ্রহণকারীরা। এ ছাড়া আদিবাসী নারীদের নিয়ে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ আয়োজনের জন্য দিনাজপুর জেলা অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের সভাপতি চিত্ত ঘোষকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

The post রংপুর বিভাগে অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত appeared first on দৈনিক নীলফামারী বার্তা.

সৈয়দপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জ্বালানী সংকট নিরসনে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে। যাদের মাত্র ৩-৫ টি গরু বা শতাধিক হাঁস-মুরগি আছে তারাই যেন এই উদ্যোগ নেন। এক্ষেত্রে সরকার সার্বিকভাবে সহযোগীতা করবে। এতে ব্যক্তিগত আর্থিক লাভবান হওয়ার সাথে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। যা একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের কর্তব্য। বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন। তিনি সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের আইসঢাল গ্রামে একটা বায়োগ্যাস প্লান্ট পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহবান জানান। সংবাদ কর্মীদের মাধ্যমে তিনি দেশের সর্বস্তরের যুব সমাজকে এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসতে বলেন। এসময় বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে সরকারি ঋণ বাবদ জেলার ৫ জন উদ্যোক্তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার করে মোট সাড়ে ৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন। একইসাথে গ্যাসের চুলায় আগুন জ্বালিয়ে উদ্যোক্তা মাহবুব মুকুলের বায়োগ্যাস প্লান্টের সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে নীলফামারী জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার ও উদ্যোক্তা মাহবুব মুকুল বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা যুব ও ক্রীড়া অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিলগির আলম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা ও সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা,উপজপলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হায়াত আলী জাফরী,বিএনপি সহ সভাপতি এস এম ওবায়দুর রহমান সহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি এবং যুব উদ্যোক্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা যুব ও ক্রীড়া কর্মকর্তা মতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর হাত থেকে ঋণের চেক প্রাপ্ত উদ্যোক্তরা হলেন, নীলফামারী সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী নিলুফা বেগম এবং জলঢাকার পশ্চিম গোলমুন্ডার মমিনুর রহমানের স্ত্রী মমতা ইয়াসমিন, ডাউয়াবাড়ির মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সোহরাব হোসেন, খারিজা গোলনার ওলিয়ার রহমানের ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান ও কালকেউট মীরগঞ্জের মোশফিকুর রহমানের ছেলে বকুল হোসাইন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যুবক যুবতিরা হলো দেশের অন্যতম সম্পদ। এই সম্পদকে কার্যকর ভাবে কাজে লাগাতে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই স্লোগান নিয়ে কাজ করছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। প্রায় ৮৩ টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যুব সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে। বায়োগ্যাস প্লান্টও সেই উদ্যোগের প্রতিফলন। আজকের এই উদ্যোক্তার মতো সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে এধরনের আত্মকর্মসংস্থান ও সমাজ উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে। তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, বায়োগ্যাস প্লান্টের মাধ্যমে জ্বালানি গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদন হচ্ছে। এই প্লান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে প্লান্ট গড়ে উঠলে গ্যাস ও সারের মতো বিদ্যুৎ সংকট নিরসনেও সহযোগিতা হবে। এতে উদ্যোক্তারা নিজেরা কর্মসংস্থান পেয়ে ও অন্যদের গ্যাস ও বিদ্যুৎ দিয়ে উপকার করে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। যা দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে একটা করে খেলার মাঠ করতে চায়। সেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা উপজেলা পর্যায়ে যে স্টেডিয়ামগুলো আছে সেগুলো আধুনিকায়ন করে খেলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। যাতে যুব সমাজ মাদকসহ সকল অপরাধ থেকে মুক্ত থাকতে পারে এবং ক্রীড়া নৈপুণ্য বিকাশের সুযোগ পেয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধূলায় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে পারে। যুব সমাজকে চলমান বিশ্বের সাথে উপযোগী করে গড়তে আমরা ফ্রিল্যান্সিং এ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। এজন্য এআই সহ প্রযুক্তিগত সব বিষয়ের উৎকর্ষ সাধনে প্রশিক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে দেশে থেকেই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে স্বাবলম্বী হতে পারে। সেই সাথে আগামী প্রজন্মকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যোগ্য করে তুলতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ সংক্রান্ত শিক্ষা কার্যক্রম যুক্ত করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ এর সুফল পাবে।

The post সৈয়দপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জ্বালানী সংকট নিরসনে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট গড়ে তুলতে হবে appeared first on দৈনিক নীলফামারী বার্তা.

দিনাজপুর বোর্ডের ৮ জেলার এইচএসসি ফলাফল নীলফামারী জেলা পাশের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে

joybanglanewsbangladesh
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৮ জেলার মধ্যে নীলফামারী জেলা পাশের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রযেছে। এ জেলার পাশের হার ৪৯ দশমিক ৯২ ভাগ। শনিবার প্রকাশিত ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এ জেলায় মোট ১৩ হাজার ৫৭৯জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৬ হাজার ৭৭৯জন। পাশের হার ৪৯ দশমিক ৯২ ভাগ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬১জন। জেলায় পাশের হারে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। অপরদিকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। ৭ হাজার ১৮৭ জন মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩ হাজার ৯০০জন। মেয়েদের পাশের হার ৫৪ দশমিক ২৬ ভাগ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬৪ জন। যার জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৬ দশমিক ৭৭ ভাগ। অপরদিকে জেলায় এবার ৬ হাজার ৩৯২জন ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২ হাজার ৮৭৯ জন। যার পাশের হার ৪৫ দশমিক ০৪ ভাগ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৭ জন। ছেলেদের জিপিএ প্রাপ্তির হার ১০ দশমিক ৩২ ভাগ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এ বোর্ডের অধীনে ৮ জেলার মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাশ করেছে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন। পাশের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ ভাগ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৫৩জন। ওই ৮ জেলার মধ্যে পাশের হারে প্রথম স্থানে রয়েছে রংপুর জেলা। এ জেলার মোট ২৩ হাজার ৭৫২জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১৩ হাজার ৩৩০জন। পাশের হার ৫৬ দশমিক ১২ ভাগ। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ হাজার ২৭৬ জন। তৃতীয় অবস্থানে রযেছে লারমনিরহাট জেলা। এ জেলায় ৭ হাজার ৪৫৫জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩ হাজার ৪৮২জন। পাশের হার ৪৬ দশমিক ৭১ ভাগ। জিপিএ- পেয়েছে ১০২জন। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা। এ জেলায় ৯ হাজার ৮৫৭জন পরীক্ষায অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৪ হাজার ৪৩৯জন। পাশের হার ৪৫ দশমিক ০৩ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৮জন। দিনাজপুর জেলা রয়েছে পঞ্চম অবস্থানে। এ জেলায় ২২হাজার ৯১০জন পরীক্ষায অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১০ হাজার ৪০জন। পাশের হার ৪৩ দশমিক ৮২ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭৬জন। ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। এ জেলায় ১১ হাজার ৭২২জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৪ হাজার ৭৭৩জন। পাশের হার ৪০ দশমিক ৭২ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৬জন। সপ্তম অবস্থানে রয়েছে গাইবান্ধা জেলা। এ জেলায় ১৫ হাজার ৫৩৯জন পরীক্ষায অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৬ হাজার ২৯জন। পাশের হার ৩৮ দশমিক ৮০ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৩জন। অষ্টম অবস্থানে রয়েছে পঞ্চগড় জেলা। এ জেলায় ৬ হাজার ৯৭৩জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২হাজার ৫২৬জন। পাশের হার ৩৬ দশমিক ২৩ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন। দিনাজপুর শিক্ষা বের্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াস আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিৎ করেছেন।

The post দিনাজপুর বোর্ডের ৮ জেলার এইচএসসি ফলাফল নীলফামারী জেলা পাশের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে appeared first on দৈনিক নীলফামারী বার্তা.